Header Ads Widget

যদি জীবনে সফল হতে চাও তাহলে এই গল্পটি পড়ো ।। Life Changing Motivational Story In Bangla

আজ এটাই একমাত্র শক্তি আজকের এই গল্পটি শুনার পর তুমি নিজেও সেটা স্বীকার করে নেবে অনেক দিন আগের কথা একটা সময় ছিল যখন মোটর গাড়ি স্টার্ট করতে হতো ইংরেজি অক্ষরের মতো হ্যান্ডেল দিয়ে অনেক পরিশ্রম শক্তি ও সময় ব্যয় করে গাড়িগুলো স্টার্ট করতে হতো অর্থাৎ সেই সময় যেকোনো গাড়ির করা ছিল রীতিমত একটা কষ্টের কাজ একজন তরুণ যুবক জেনেছিলেন জেনারেল মোটরস রেছার্জ কর্পোরেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট 133 তার বন্ধুদের বললেন যে একটা ছোট্ট চাবি দিয়ে মোটর গাড়ি স্টার্ট করা যেতে পারে ।

কিন্তু বন্ধুরা হেসে উড়িয়ে দিল তার কথাটি এবং যারা শুনলো সকলেই বলল যে এটা অসম্ভব আর তারিখে আলোচনার জন্য মজা করতে পারল না কেউ তারা সবাই তাকে বলতে লাগলো একটা ছবি দিয়ে এত বড় মোটর গাড়িতে স্টার্ট করা কখনোই সম্ভব নয় কিন্তু আজ আমরা জানি যে সেটা সম্ভব হয়েছে একটা ছোট্ট বিবিএ অর্থাৎ সেল্ফ স্টার্ট এর মাধ্যমে এখন গাড়ি স্টার্ট করা যায় কিভাবে এটা সম্ভব হল আর এই অসম্ভবকে সম্ভব করলো তার নাম চার্লস ফ্রাঙ্কলিন ক্যাটারিং অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি যখন গাড়ির সেল্ফ স্টার্ট আবিষ্কারের স্বপ্ন দেখতেন তখন তার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রয়োজন ছিল প্রচুর সময় এবং পরিশ্রম সেই কারণে প্রায় বাধ্য হয়েই তিনি তার চাকরিটি ছেড়ে দেয় ।




কিন্তু যে কোনো গবেষণার জন্য প্রয়োজন অর্থ আর চাকরি না থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে অর্থের অভাব দেখা দিলো তার তার ব্যাংক ব্যালেন্স ফোটাতে লাগল এবং একটা সময় ফুরিয়ে গেল তখনো চাল স্ক্যাটারিং সফল হতে পারলেন না একটার পর একটা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে লাগলো তাঁর গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরও টাকার প্রয়োজন হতে লাগলো তাঁর হতাশ হয়ে কাজ বন্ধ করে দেবেন নাকি কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তাঁর গবেষণা চালিয়ে যাবেন তারপর তিনি নিজের ইত্যাদি বিক্রি করতে লাগলেন একটা সময় শেষ হবে ফুরিয়ে গেল শেষ সম্বল রইল সম্পত্তি হিসেবে পাওয়া হয় আর বসতবাড়িটি তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি তাঁর বসতবাড়িতে বিক্রি করে দেবেন এবং করলেনও তাই একদিন বসতবাড়িটি বিক্রি করে দিয়ে ক্ষেতের একধারে কুড়ে ঘর বানিয়ে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাস করতে লাগলেন তিনি তখন গভীর গবেষণায় এতটাই মগ্ন যে তারা আত্মীয়-বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হতে লাগলেন তার বন্ধু আত্মীয়রা সকলেই তার স্ত্রীকে বললেন যে তিনি কেন এত পাগলামি মেনে নিচ্ছেন সন্তানদের ভবিষ্যত নেই তার স্ত্রী তখন বললেন যে তারা তো কষ্ট করছে নি কিন্তু ক্যাটারিং সাহেব নিজে যে এত পরিশ্রম করছেন নিজের শরীরের দিকে তাকানোর পর্যন্ত তার সময় নেই ।


এটাই তাকে সব থেকে বেশি চিন্তিত করে তুলেছে অর্থাৎ তার স্ত্রী তার কাছে যথেষ্ট সমর্থন করতেন এত কিছু হওয়া সত্ত্বেও স্ক্যাটারিং তার নিজের বিশ্বাসে অটল ছিলেন তিনি একদিন সফল হবেন আর দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে তার সেই স্বপ্ন সফল হয় নিজেদের প্রদর্শন করেন সেদিন সকলেই অবাক সমস্ত শিল্পের লোকেরা তার টেকনিক কিনে নিতে লাগলেন আর দেখতে দেখতে অনেক অর্থের মালিক হয়ে উঠলেন বিশ্বের বিখ্যাত সব পত্রপত্রিকার তাকে ঘিরে ধরে তার সাফল্যের কারণ জানতে চাইল অনেক অনেক বাধার পরেও কিভাবে তিনি নিজের লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে এত ধৈর্য আর এত মনোবলের উৎস কি সবাই জানতে চাইলেন এর উত্তর দেওয়ার জন্য ক্যাটারিং সাহেব সেই সাংবাদিকদেরকে তার সেই কুঁড়েঘরে নিয়ে গেলেন আর ঘরের সমস্ত জিনিসের মাঝ থেকে একটা ছোট্ট পাথর বের করে দেখালেন আর বললেন এটাই আমার সাফল্যের উচ্চ পাথর সবাই হাতে নিয়ে দেখল যে সেই পাথরে লেখা আছে একটি ছোট্ট কথা আজ তিনি বললেন এই আজি আমার সব লতার উৎস কারণ গতকাল মানুষের জীবনে হতাশা এনে দেয় আগামীকাল এনে দেয় অলসতা তাই আজি একমাত্র সত্য আর তাই দেখুন আজ আমি সফল তাহলে বন্ধুরা এই গল্প থেকে আমরা যে শিক্ষাগুলো নিতে পারি সেগুলো হলো যারা আজ নিয়ে বেঁচে থাকে তারাই সফল হয় তাই বর্তমানকে নিয়ে বাঁচায় আর আজ এখন নয় তো কখনো নয় প্রতিটি সময় মূল্যবান সময়কে সকল সময় সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত ।

Post a Comment

0 Comments